রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ রবিউস সানি , ১৪৪১ | ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবারের হরতালে বিএনপির সমর্থন      আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এখনো আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম       ফার্মগেট এলাকায় শুরু হয়েছে মেট্রোরেলের কাজ       রাজশাহীর জঙ্গি আস্তানায় র‌্যাবের অভিযানে নিহত ৩      তোরাব আলী খালাস, কারাগারে পিন্টুর মৃত্যু      ফারমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন মখা আলমগীর      চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযান, নিহত ২       চাঁপাইনবাবগঞ্জে চরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ বিস্ফোরণ      আগামীকাল স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন খালেদা জিয়া       স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩য় ম্যাচে জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩৭০     

X
রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ ১০:৪২ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

‘একটাই সান্ত্বনা, বাবার হাতে পুরস্কারটা তুলে দিতে পেরেছিলাম’

img

বাবা শাশ্বত, চির আপন। বাবা মানে নির্ভরতার আকাশ আর নিঃসীম নিরাপত্তার চাদর। ভাষা ভেদে হয়তো শব্দ বদলায়, স্থান ভেদে বদলায় উচ্চারণও। কিন্তু বদলায় না রক্তের টান। বাবার প্রতি সন্তানের চিরন্তন ভালোবাসার প্রকাশ প্রতিদিনই ঘটে। অবশ্য বাবার জন্য বিশেষ দিন হিসেবে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার প্রতি বছর ‘বিশ্ব বাবা দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। আজ বিশ্ব বাবা দিবস। বাবা দিবসে স্মৃতিচারণ করেছেন হালের ক্রেজ সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল।

‘বাবাকে ছাড়া তো এখন ভীষণ একা মনে হয়। বাবার কথা সবসময়ই খুব মনে পড়ে। কিছু বিশেষ দিনগুলোতে বাবার কথা ভেবে চোখে পানি চলে আসে। যাদের বাবা নেই তারাই আসলে উপলব্ধি করতে পারেন একটা সন্তানের কাছে বাবা কী! বিশাল এক বটবৃক্ষ হয়ে তিনি আমাদের মাথার ওপর থাকতেন। অনেক সংকট তিনি আমাদের বুঝতে দেননি। এখন সেই বিষয়গুলোর মুখোমুখি হলে বুঝতে পারি, তিনি কীভাবে আগলে রাখতেন আমাদের।’ এভাবেই আবেগে আপ্লুত হয়ে বাবার কথা বলছেন ইমরান।

ছোটবেলায় বাবাকে ভীষণ ভয় পেতাম। পড়াশোনার জন্য শাসন করতেন। আমি মায়ের সঙ্গে সঙ্গেই বেশি থাকতাম। মায়ের সঙ্গেই আমার সখ্যতাটা বেশি ছিল। বাবার সঙ্গে সেটা কম হতো। তাই ছোটবেলায় বোধহয় অল্প বিস্তর দূরত্ব ছিল। বাবারা হয়তো ভাবতেন, যেন আদর্শচ্যুত না হই।

প্রথম দিকে আমার গানের প্রতি তার আগ্রহ ছিল না। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি যখন দেখলেন, গান নিয়ে আমি ভালো করছি। তখন তিনিই সাপোর্ট করা শুরু করলেন। সে সময় নিজে থেকেই রেওয়াজ করতে বলতেন। বড় হওয়ার পর যেন আমাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। বিশেষ করে আমি কোনও সিদ্ধান্ত নিলে বাবা প্রথমে ভেবে দেখতেন। পরে দেখা যেত, তিনি তাতেই সাপোর্ট করছেন। কিছুটা সময় পার হওয়ার পর দেখেছি পরিবারে আমি ছোট হলেও তিনি আমার সিদ্ধান্তকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।

আর যখন গানে পুরোপুরি থিতু হলাম। তখন বাবাই বিভিন্ন সময়ে ইউটিউবে আমার গানগুলো দেখত। বেশিজন দেখলে তিনি সেটা নিয়ে কথা বলতেন, উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতেন। এই বিষয়টি খুব মনে পড়ছে।

বাবা মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অনুষ্ঠান প্রায়ই দেখতেন। গানের জগতে ভাল করছি দেখে তিনি চাইতেন একদিন আমার হাতেও এই পুরস্কার উঠুক। সন্তান হিসেবে এই জায়গায় আমার সান্ত্বনা আছে। বাবা চলে যাওয়ার আগে এই পুরস্কারটি উনার হাতে তুলে দিতে পেরেছি। অনেক কিছুই হয়তো করার ছিলো বাবার জন্য কিন্তু সেটা করার সুযোগ পাইনি। অন্তত বাবা এটা জেনে গেছেন যে তার সন্তান আদর্শচ্যুত হয়নি, কাজ করে যাচ্ছে।

আরো খবর