রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ রবিউস সানি , ১৪৪১ | ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবারের হরতালে বিএনপির সমর্থন      আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এখনো আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম       ফার্মগেট এলাকায় শুরু হয়েছে মেট্রোরেলের কাজ       রাজশাহীর জঙ্গি আস্তানায় র‌্যাবের অভিযানে নিহত ৩      তোরাব আলী খালাস, কারাগারে পিন্টুর মৃত্যু      ফারমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন মখা আলমগীর      চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযান, নিহত ২       চাঁপাইনবাবগঞ্জে চরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ বিস্ফোরণ      আগামীকাল স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন খালেদা জিয়া       স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩য় ম্যাচে জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩৭০     

X
রবিবার, ১০ জুন ২০১৮ ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন Zoom In Zoom Out No icon

জমে উঠেছে কেরানীগঞ্জের ঈদ বাজার

আশিক নুর
img

ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে কেরানীগঞ্জের ঈদবাজার । বিভিন্ন শপিংমল,বিপনি-বিতান ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে বেশ ভিড় পরিলক্ষত হয়।স্থানিয় বেশ কয়েকজন দোকানদার জানান ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতা সমাগম ততই বেড়ে চলেছে।ঈদের কেনা কাটা যাহাতে নির্বিগ্নে করতে পারে সেজন্য বিভিন্ন শপিংমলের সামনে কেরানিগঞ্জের মডেল ও দক্ষিণ  থানার দ্বায়ীত্বে পুলিশ পাহারায় রয়েছে। 
অন্য দিকে ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ কেরানীগঞ্জের তৈরি পোশাক পল্লীতে পাইকারদের বেচা-কেনা জমে উঠছে। আর তাদের চাহিদামতো পোশাক সরবরাহ করতে এখানকার কারখানাগুলোতেও দিন-রাত কাজ করে চলেছেন শ্রমিকরা। চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ইতালিসহ নানা দেশের ব্র্যান্ড অনুযায়ী পোশাক তৈরি হয় এখানে। দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ক্রেতারা এ পোশাক পল্লীতে এসে ঘুরে ঘুরে পছন্দের পোশাক অর্ডার দিচ্ছেন এবং অর্ডার দেয়া পোশাক বুঝে নিচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, এবার ঈদ উপলক্ষে এ পোশাক বাজারে ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার পোশাক বিক্রি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্ট ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল আজিজ  জানান, পুরো কেরানীগঞ্জ ঘিরেই পোশাক তৈরির কারখানা ও শোরুম। দেশে তৈরি পোশাকের প্রায় ৭০ শতাংশ ও শতভাগ জিন্স প্যান্টের চাহিদাও পূরণ করছে এ বাজার। তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জে ২ হাজার ৭৯৬টি পোশাক তৈরির কারখানা রয়েছে। আর সেল সেন্টার ও শোরুম রয়েছে ৪ হাজার ৬৮৮টি। তালিকাভুক্ত ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৮ হাজার। প্রায় ৩ লাখ শ্রমিক এ পোশাক বাজার সংশ্লিষ্ট কারখানা ও দোকানে কাজ করছেন। এছাড়া আরও প্রায় হাজারখানেক ছোট কারখানা রয়েছে কেরানীগঞ্জে। যেগুলো এখনও সমিতির আওতায় আসেনি। এ কারখানাগুলোতেও লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করছেন। এছাড়া দু’শতাধিক ওয়াসিং ফ্যাক্টরি আছে কেরানীগঞ্জে।

কেরানীগঞ্জ পোশাক বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতা আর শ্রমিকদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। ট্রাক, ভ্যানসহ নদীর পাড়ে বাঁধা সারি সারি লঞ্চ, নৌকায় পোশাক বোঝাই করা হচ্ছে। যেখানে চোখ যায় শুধু পোশাকের শোরুম আর কারখানা। চতুর্দিকে শুধু বাহারি পোশাকের সমাহার। নানা ডিজাইনের প্যান্ট, শার্ট, পাঞ্জাবি, গেঞ্জি, বোরকা, ফতুয়া, কাবলি পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস।

দেখা যায়, বহুতল মলগুলোর কারখানাগুলোতে পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। আলম শপিংমলের ৩য় তালা থেকে ৬ষ্ঠ তলা পর্যন্ত শত শত পোশাক তৈরির কারখানা রয়েছে। এসব ফ্যাশন কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকরা একটানা কাজ করে চলেছেন। তারা পাঞ্জাবি, শার্টসহ নানা রকমের পোশাক তৈরি করছেন। ফ্যাশন হাউসটির ৩ তলা থেকে ৬ তলা পর্যন্ত শত শত শ্রমিক রাত-দিন কাজ করছেন। ঈদ উপলক্ষে অর্ডার অনুযায়ী পোশাক তৈরি করতে হচ্ছে। শিশু ও তরুণীদের পোশাক তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ভারত, পাকিস্তানের নামকরা ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরি করছেন। তারা ভারতের আকর্ষণীয় সাহারা, মাস্তানি পোশাক হুবহু তৈরি করছেন। বরং ভারতের ওইসব পোশাকের চেয়ে তাদের তৈরি পোশাকের কোয়ালিটি অনেক ভালো।’

আরো খবর